ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

মাঠ কার্যালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করতে নজরদারির নির্দেশ ইসির

  • আপলোড সময় : ১৩-১২-২০২৪ ০৫:২৫:৫৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-১২-২০২৪ ০৫:২৫:৫৫ অপরাহ্ন
মাঠ কার্যালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করতে নজরদারির নির্দেশ ইসির
জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়গুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করতে নজরদারিতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংস্থাটির সংস্থাপন শাখার উপসচিব মো. হেলাল উদ্দিন খান নির্দেশনাটি সকল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবাসহ সকল ধরনের সেবা দুর্নীতিমুক্ত ও সহজীকরণের লক্ষ্যে মাঠ কার্যালয়গুলো নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাঠ পর্যায়ের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস/জেলা নির্বাচন অফিস/উপজেলা নির্বাচন অফিসে প্রতিদিন কতজনকে সেবা দেওয়া হয়েছে তার হিসাব অফিস বোর্ডে লিপিবদ্ধ করা এবং ০৭ দিন অন্তর অন্তর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা কর্তৃক অঞ্চলের হিসাব ইসি সচিবালয়কে অবহিত করতে হবে। এছাড়া, কার্ড ম্যানেজমেন্ট সফটওয়ারে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবার দৈনিক হিসাব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মনিটরিংয়ের অপশন রাখার জন্য সিস্টেম ম্যানেজারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, দশটি নির্বাচনি অঞ্চলে ছয় লাখ ৬৫ হাজার ৫১৬টির মতো এনআইডি আবেদন অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে (আবেদনের ধরন) অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে দুই লাখ ৬৮ হাজার ২৯৪টি আবেদন। আর তথ্য কিংবা দলিলাদি জটিলতা সংক্রান্ত আবেদন ঝুলে আছে তিন লাখ ৭৭ হাজার ২২২টি, এদের মধ্যে অনেকের আবেদন ২০২০ সালের আগে করা। মাঠ কর্মকর্তারা অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই এনআইডি আবেদন ফেলে রাখেন। আবার অসৎ উদ্দেশ্যেও ভোগান্তিতে ফেলা হয় সেবাগ্রহীতাদের। এজন্য সংস্থাটি মাঠ কার্যালয়গুলো নজরদারিতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স